বিয়ে না করেও দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে একসাথে (লিভ টুগেদার) থাকতে পারবে, রায় সুপ্রিমকোর্টের।

আমাদের দেশে বিয়েটাই একটি ছেলে আর মেয়ের একসাথে থাকার প্রধান উপায়। এছাড়া বিয়ে না করে যে একসাথে তারা থাকতে চায় তাহলে সেটা সম্ভব নয় আমাদের দেশে, অর্থাৎ লিভ ইন রিলেশনশিপ আমাদের দেশে সম্ভব নয়। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী একটি ছেলে বা মেয়ে বিয়ে না করে একসাথে থাকতে পারে না। বাইরের দেশে অবশ্য এই ঘটনা খুবই স্বাভাবিক, সেই দেশে সেটা আইনত সম্ভব। বাইরের দেশে এটি একটি অতিসাধারণ ঘটনা, কিন্তু আমাদের দেশে এটা কেউ করতে চাইলে সমাজ ভ্রু কুঁচকায়। তাই আজও বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে ই আমাদের দেশে লুকিয়ে প্রেম করে। কিন্তু সেসব দিন আর রইলো না, এবার থেকে বিয়ে না করেও একসাথে থাকা, অর্থাৎ লিভ ইন করাকে সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি মান্যতা দিয়ে দিল। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনাকে মান্যতা দিয়ে দিল। গতবছর এই সংক্রান্ত একটা মামলা হয়েছিল, তারই রায়দানের সময় এই কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে যে, দুটি ছেলেমেয়ের মধ্যে মনের মিল থাকলেই, তারা একসাথে থাকতে পারবে। এজন্য তাদের বিয়ের মতো সামাজিক প্রথার সম্মুখীন হতে হবে না। কোর্ট থেকে বলা হয়েছে যে দুটি প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে যদি তাদের নিজেদের ইচ্ছায় একে অপরের সাথে থাকতে, সহবাস করতে ইচ্ছুক থাকে তাহলে সমাজের অধিকার নেই সেটাকে বাধা দেওয়ায়, আর তার জন্য বিবাহের পিড়িতে বসার ও প্রয়োজন নেই। দুটি প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে একসাথে থাকলে যে তারা কোন অপরাধ করছে এমনটা মোটেই নয়। আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে, যে বিয়ের আগে ছাড়া একটি ছেলে বা মেয়ে কখনওই একইসাথে থাকতে পারে না। একইসাথে থাকতে গেলে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া জরুরি। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে যে, দুজনের মধ্যে ভালোবাসা আর সম্মতি থাকলেই তাদের আর কোন বাধার সম্মুখীন হওয়া উচিত নয়।

ভালোবাসা থাকুক প্রকাশ্যে, সমাজের কোনরকম ভয় না করে। তো মনে করা হচ্ছে যে সুপ্রিমকোর্ট এর রায়ের ফলে যেসব ছেলেমেয়ে রা লিভ ইন করতে আগ্রহী তারা খুবই খুশি। বিয়ে না করেই তারা এবার থেজে একসাথে থাকতে পারবে। এই অইনকে বেশিরভাগ মকনুষই সাধুবাত জানিয়েছেন কারন উন্নত দেশগুলোতে এমন আইণ আগে থেকেই আছে, তবে কিছু কিছু মানুষ চরম আপত্তি করছেন এরকম আইন কে।